একজন বিশেষজ্ঞ রওশন আলি, একটি রহিম আফরোজ ব্যাটারী, কিছু তেল এবং একজন আম জনতার গল্প

11 thoughts on “একজন বিশেষজ্ঞ রওশন আলি, একটি রহিম আফরোজ ব্যাটারী, কিছু তেল এবং একজন আম জনতার গল্প”

  1. কিছু বলা হয় না বলে লোকে পার পেয়ে যায়। এক কাজ করতে পারেন, পপুলার ডায়গনোস্টিক্সের এমডি বরাবর একটি চিঠি লিখেন অভিযোগ জানিয়ে। ডাক্তারদের সতর্ক হতে বলেন মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি না খেলার জন্যে আর বলেন যে উত্তর না পেলে প্রেস কনফারেন্স করবেন এ নিয়ে। সরকারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি অভিযোগ সেল থাকা উচিৎ।

  2. স্থানঃ বরিশালের গৌরনদী। ৫০ বছর বয়স্কা রওশান আরা বেগম পেটের পীড়ার আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারের দ্বারস্থ হন চিকিৎসার জন্যে। ডাক্তার সমীর কুমার চাকলাদার রোগীকে নিজস্ব ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে পাঠান বিভিন্ন পরীক্ষার জন্যে। পরীক্ষার ফলাফলে বলা হয় রোগীর অবস্থা ভয়াবহ এবং তাৎক্ষনিক সার্জারির ব্যবস্থা না করলে ক্যান্সার অবধারিত। শেষ পর্যন্ত ১৪ হাজার টাকায় রফা হয় সার্জারির। ডাক্তারের পূর্বাভাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রুগীর পরিবার নতুন এক ল্যাবে টেস্ট করায়, এবং তাতেই বেরিয়ে আসে ডাক্তার চাকলাদারের আসল উদ্দেশ্য, ভয় দেখিয়েই রোগীদের পকেট খালি করা।

    খন্ড খন্ড ছবি গুলো এক করলেই বেরিয়ে আসবে আমাদের আসল চেহারা। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যদি প্রকাশ্য পেটানোর ঘোষনা দিয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে ঘুরে বেড়াতে পারেন, আমাদের ধরে নিতে হবে গলদ অন্য কোথাও। কোটি টাকার নির্বাচন পাহারা দেয়ার কাজে দৈনিক ২৫ টাকা খোরাকির পুলিশ (চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচন), এমন একটা করুণ ও ভয়াবহ বাস্তবতা কেবল আমাদের মত ডিসফাংশনাল সমাজেই সম্ভব। ডাক্তার চাকলাদার আমাদের শিক্ষিত সমাজের প্রতিনিধি। রুগি নিতে উনি যা করেছেন তাতে গোটা সমাজের চেহারাটাই ফুটে উঠেছে কেবল। এক অর্থে দেশটার মূল চালিকা শক্তিই বোধহয় এই ফিয়ার ফ্যাক্টরে আক্রান্ত। প্রধানমন্ত্রী ভয় দেখান বিরোধী নেত্রীকে, বিরোধী নেত্রী ভয় দেখান সরকার প্রধান সহ গোটা প্রশাসনকে, ছাত্রদের ভয়ে ভীত দেশের ব্যবসা-বানিজ্য, মন্ত্রীদের ভয়ে তটস্থ সাংবাদিক, ডাক্তারের ভয়ে বিপন্ন রোগীর জীবন, ইত্যাদি ইত্যাদি। রাজনীতির নষ্ট জরায়ুতে জন্ম নেয়া এসব পাপাচারের পুজা করার অপর নাম বাংলাদেশের রাজনীতি। এভাবে চলতে থাকলে ৩৯ বছর কেন, ৩৯ হাজার বছরেও আমাদের প্রাপ্তির খাতায় নতুন কিছু যোগ করা সম্ভব হবেনা।

    Source : http://bit.ly/cfYvi6
    WatchDog

  3. “শরীর যখন আছে, তা কোন না কোন ভাবে বিকল হবেই, আমার কাছে তোমাকে আসতে হবেই”-এই বিশ্বাস নিয়ে তারা এমন করে থাকে ।

  4. Maximum daktar ra evabei taka kamay e borolok hoy…Gari bari kore…Ake tk thake due e DR and amra somajer sobai eder onek somman kori…..Dr vebe…..but era maximum e somman er ojoggo…..

  5. Dear Hasin vai,
    apni square hospital e next time try kortey paren. okhankar dr. ra patient er kotha monojog dia suney. amaro onek bad experience asey bivinno dr. er kasey. but ekhon projonto amar dekha Square Hospital er dr. rai valo money hossey.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *